কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৭ এ ১১:৪৭ PM
কন্টেন্ট: পাতা
১। গভীর নলকূপ খনন এবং আবাদযোগ্য জমি নিয়ন্ত্রিত সেচ কুবিধার আওতায় আনা।
২। ভূ-পরিস্থ পানির উৎস বৃদ্ধির জন্য খাল ও খাস জমি মজা পুকুর পুনঃখনন করা এবঙ মৎস্য চাষ।
৩। ফসল বাজারজাতকরণ ও যাতয়াত ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য গ্রামীণ সংক পাকাকরণ।
৪। সেচযন্ত্র বিদ্যুতায়ন ও প্রি-পেইড মিটারে মাধ্যমে সেচ করচ হ্রাস করা।
৫। প্রাকৃতিক ভারসাম্য আনয়ন ও মরু প্রক্রিয়ারোধ কল্পে ব্যাপক বনায়ন ও নার্সারী সম্প্রসারণ।
৬। স্থাপিত গভীর নলকূপ হতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্রামে পানীয় জল সরবরাহ।
৭। ফসলের বহুমুখী করণের মাধ্যমে কৃষি উৎপান বৃদ্ধি।
৮। অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ও দারিদ্র বিমোচনে সহায়তা করা।